চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেছেন, সীতাকুণ্ডকে ডেঙ্গুর হটস্পট বিবেচনায় নিয়ে আমরা চাই, আর কেউ যেন এ রোগে প্রাণ না হারান। সাত দিন পর এখানে কোনো হটস্পট থাকবে না, সেখানেই আমাদের অভিযান সফল হবে। সীতাকুণ্ডে এ পর্যন্ত ৫১৬ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা না কমলে এই অভিযানকে সফল বলা যাবে না।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সীতাকুণ্ড পৌরসভায় সচেতনতামূলক র‌্যালি, পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও মশক নিধন কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন তিনি। নাগরিকদের নিজেদের বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার আহ্বান জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, সীতাকুণ্ডের মতো শিল্পাঞ্চলে পরিকল্পিত ও আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জরুরি।

সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলাম জানান, চিহ্নিত সাতটি হটস্পটে বিশেষ নজর দেওয়া হবে। ভাটিয়ারী, সোনাইছড়ি, জেলেপাড়া, বাড়বকুণ্ড, ফুলতলা, বার আউলিয়া এবং সীতাকুণ্ড কলেজ রোড এলাকায় এ কাজে ১৬টি নতুন ফগার মেশিন ও প্রয়োজনীয় কীটনাশক সংগ্রহ করা হয়েছে। সাত দিনের কর্মসূচির পরও পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম চালু থাকবে বলে জানান তিনি।

চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান বাড়িঘর ও ড্রেনে জমে থাকা পানি সরানোর আহ্বান জানান। জাহাজভাঙা শিল্প এলাকার স্ক্র্যাপ ধাতুতে বৃষ্টির পানি জমে এডিস মশার বংশবিস্তার ঠেকাতে ব্যবসায়ীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি।

আরও খবর