জিয়া স্মৃতি জাদুঘর বন্ধের চেষ্টা, সেই ফ্যাসিস্টদের বিচারের দাবি
চট্টগ্রামে জিয়া স্মৃতি জাদুঘরে হামলায় জড়িত এবং এটি বন্ধের চেষ্টায় যারা জড়িত ছিল তাদের বিচারের আওতায় আনার দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছেন বিএনপিপন্থী ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। সোমবার (২৬ অক্টোবর) চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন কমিশনার বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন তারা।
স্মারকলিপিতে তাঁরা উল্লেখ করেন, বিভিন্ন সময় পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের পলাতক মন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল জিয়া স্মৃতি জাদুঘরটি বন্ধ করার জন্য উষ্কানি দিয়েছিলেন। তারই ধারাবাহিকর্তায় ২০২২ সালের ৮ মার্চ দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমানের নেতৃত্বে জাদুঘর বন্ধ করতে জেলা প্রশাসনক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে। তারা স্মারকলিপিতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে মুজিব হত্যায় জড়িত উল্লেখ করে ইতিহাস বিকৃত করে এবং জিয়াউর রহমানের স্মৃতি চট্টগ্রাম থেকে মুছে দিতে চেষ্টা করেছি। অনতিবিলম্বে তাদেরকে আইনের আনার দাবি করা হয়।
স্মারকলিপিতে মফিজুর রহমাননের সঙ্গে মোহাম্মদ ইউনুছ, কামরুল হাসান বাদল, শুকলাল দাশ, সাইফুল আলম বাবু, মিলি চৌধুরী, আ ফ ম মোদাচ্ছের আলী, কমল দাশ, মুজাহিদুল ইসলাম, আমিনুল হক বাবুর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানানো হয়।
এসময় চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব ও জুলাইয়ে গুলিবিদ্ধ ছাত্রনেতা ওমর ফারুক সগার, উত্তর জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক ও জুলাই যোদ্ধা রিদুয়ান সিদ্দিকী, বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল সভাপতি কাইমুল হক, চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রদল আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আবিদুল ইসলামসহ ছাত্রদলের আসিফুর রহমান, মাহফুজুর রহমান, আলিফ, ইমামুর রহমান ঈমন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, গত ২৪ অক্টোবর চট্টগ্রাম সময়ে জিয়া স্মৃতি জাদুঘর ভাঙ্গতে চাওয়া ব্যক্তিরা কে, কোথায়? শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদন প্রকাশের পর চট্টগ্রামসহ সারা দেশে জাতীয়তাবাদী শক্তির মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়। এই অপকর্মে জড়িতদের বিচারের দাবি তোলা হয়।
