স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। বন্যার সময় সরকারের পক্ষ থেকে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনেও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ কর্তৃক চট্টগ্রাম জেলায় সাম্প্রতিক বন্যায় দুর্গত মানুষের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আকস্মিক ভারী বর্ষণ ও বন্যায় বাঁশখালী, চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ার মানুষ ব্যাপক দুর্ভোগের শিকার হন। বন্যার সময় জেলা প্রশাসন ও সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। ত্রাণের সংকট দেখা দিলে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে অতিরিক্ত বরাদ্দের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সরকারি সহায়তা কার্যক্রমে কোনো ত্রুটি বা ঘাটতি থেকে থাকলে তিনি সরকারের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করেন।, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্যই আজকের এই আয়োজন। জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরও বলেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবর রহমান শামীম বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তার বিষয়ে প্রস্তাব দেন। ওই প্রস্তাবের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনে সহায়তা করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবর রহমান শামীম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ১২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক, প্রধানমন্ত্রীর এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক ডক্টর মোহাম্মদ জকরিয়া, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, বিভাগীয় কমিশনার প্রতিনিধি চট্টগ্রাম স্থানীয় সরকার পরিচালক মনোয়ারা বেগম, পুলিশ সুপার চট্টগ্রাম মোঃ মাসুদ আলম বিপিএম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির ১নং যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পাসহ বন্যায় দুর্গত উপকারভোগী মানুষ এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক সংঘটনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা হিসেবে ৩০ হাজার টাকা করে চেক বিতরণ করা হয়। পরে মোট ৫১০ জন উপকারভোগীর মাঝে চেক বিতরণ করা হয়।

আরও খবর