চট্টগ্রামের ১৬ আসনে নির্বাচনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনে ভোট গ্রহণের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। সোমবারের মধ্যে সব আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কার্যালয়ে পৌঁছে গেছে ব্যালট পেপার। এর আগে জেলা নির্বাচন কার্যালয় থেকে ভোট গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য উপকরণও পাঠানো হয়েছে।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কার্যালয় থেকে ব্যালট পেপার ও অন্যান্য উপকরণ ভোটের আগের দিন সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রে পাঠানো হবে। ব্যালট পেপারসহ নির্বাচনী উপকরণ প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তাদের বুঝিয়ে দেওয়া হবে।
চট্টগ্রামে ১৬টি আসনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে আছেন তিনজন। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন নগর ও নগরসংলগ্ন ৫টি আসনের, জেলা প্রশাসক মো. জাহিদুল ইসলাম মিঞা জেলার ১০টি আসনের এবং আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন চৌধুরী নগরের একটি আসনের দায়িত্বে থাকছেন।
ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে। প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও পোলিং এজেন্টদের জন্য পৃথক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণে ভোট গ্রহণের নিয়ম, ব্যালট ব্যবস্থাপনা, ফলাফল প্রস্তুত ও প্রেরণের পদ্ধতি শিখানো হয়েছে।
চট্টগ্রামে এবার মোট ১১৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভোটার রয়েছেন ৬৬ লাখ ৮২ হাজার ৫১৭ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৩৪ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৭ জন, নারী ভোটার ৩১ লাখ ৯৮ হাজার ৫৬০ জন এবং হিজড়া ভোটার ৭০ জন।
চট্টগ্রামে ভোটগ্রহণ হবে ১,৯৬৫টি কেন্দ্রে, যেখানে ১২,৬০১টি ভোটকক্ষ রয়েছে। ভোটকেন্দ্রগুলোকে সাধারণ, গুরুত্বপূর্ণ, অতি গুরুত্বপূর্ণ, ঝুঁকিপূর্ণ ও অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে পর্যাপ্ত ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা এবং কেন্দ্রভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, আনসার ও সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকবে।
চট্টগ্রামের জ্যেষ্ঠ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বশির আহমেদ জানিয়েছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ব্যালট পেপারসহ নির্বাচনী উপকরণ সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পৌঁছে গেছে।
