সুস্থ হয়ে আবারও বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব পালনে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। রাতের ব্যবধানে তিনি ভুলে গেলেন কোন শর্তে তাকে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্ত করা হয়েছিল!

তবে তাঁকে ক্যাম্পাসে আর প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১৪ অক্টোবর) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত তাঁর পদত্যাগ এবং ভবিষ্যতে চুয়েট ক্যাম্পাসে আর প্রবেশ না করার বিষয়ে বলেন, “বিভিন্ন গণমাধ্যমে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে যে আমি পদত্যাগ করেছি এবং ভবিষ্যতে কখনো চুয়েট ক্যাম্পাসে পদার্পণ করব না। এ ধরনের কোনো বক্তব্য বা বিবৃতি আমি দিইনি। কারণ, আপনারা জেনে থাকবেন, যখন আমাকে নিয়ে আসা হচ্ছিল, তখন আসলে আমি কথা বলার মতো অবস্থাতেই ছিলাম না। অসুস্থতার কারণেই আমি ক্যাম্পাস ছেড়েছিলাম। এখনো আমি অসুস্থ এবং চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছি। সুস্থ হয়ে আমি আবারও বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব পালন করব, ইনশা আল্লাহ।”

উপাচার্যের এ বক্তব্যের পর পাল্টা বিবৃতি দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। তাঁদের দাবি, উপাচার্যকে মুক্ত করার আগে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছিল, তিনি আর ক্যাম্পাসে ফিরবেন না—এই শর্তেই তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হবে। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, এ বিষয়ে তাঁরা গণমাধ্যমের সামনেও একাধিকবার স্পষ্ট বক্তব্য দিয়েছেন। সে সময় উপাচার্য কিংবা তাঁর সঙ্গে থাকা অন্য ব্যক্তিরা কোনো আপত্তি জানাননি।

বিবৃতিতে শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে উপাচার্য হিসেবে তাঁরা গ্রহণ করবেন না। তিনি পুনরায় ক্যাম্পাসে প্রবেশের চেষ্টা করলে আন্দোলন আরও কঠোর করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।

আরও খবর