আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে বন্দরনগরীসহ পুরো চট্টগ্রামে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলেছে র‍্যাব-৭। সাধারণ মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিতে টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধির পাশাপাশি চট্টগ্রামের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান জমিয়তুল ফালাহ পরিদর্শন করেছেন র‍্যাব-৭ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল হাফিজুর রহমান।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) র‍্যাব-৭-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তা, রাষ্ট্রীয় সম্পদ সুরক্ষা এবং যেকোনো ধরনের নাশকতা রোধে বিশেষ পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে র‍্যাব।

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগরীসহ বিভিন্ন জনবহুল এলাকায় র‍্যাবের নিয়মিত টহল এবং সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রামের প্রবেশপথ ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকা যেমন—অলঙ্কার মোড়, এ কে খাঁন বাসস্ট্যান্ড এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। যাতে করে যাত্রীরা কোনো ধরনের ডাকাতি, চুরি, ছিনতাই বা মলম পার্টি ও অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে না পড়েন।

যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে বাসের টিকিট সিন্ডিকেট, কালোবাজারি এবং বিআরটিএ নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের মতো অনিয়ম রুখতে মাঠে সক্রিয় রয়েছে র‍্যাবের টিম। এছাড়া জননিরাপত্তা রক্ষায় বিভিন্ন কৌশলগত পয়েন্টে নিয়মিত চেকপোস্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।

র‍্যাব-৭-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ.আর.এম মোজাফ্ফর হোসেন জানান, ঈদ উপলক্ষে বেশিরভাগ মানুষ নাড়ির টানে বাড়ি ফেরায় শহর ও মার্কেটগুলো অনেকটা ফাঁকা হয়ে যায়। এই সুযোগে কেউ যেন নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড বা চুরির সুযোগ না পায়, সেজন্য বিশেষ টহল ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।

শুধু ঈদের দিন নয়, ঈদ পরবর্তী সময়েও বিনোদন কেন্দ্র, পার্ক ও চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীদের হয়রানি রোধে র‍্যাবের নিরাপত্তা বলয় সক্রিয় থাকবে। যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় র‍্যাব-৭-এর পর্যাপ্ত রিজার্ভ ফোর্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

র‍্যাব জানায়, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারী যেকোনো গুজব বা নাশকতার চেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করা হবে। শান্তিপূর্ণ ঈদ উদযাপন নিশ্চিত করতে র‍্যাব-৭ এর এই সর্বোচ্চ সচেষ্টতা অব্যাহত থাকবে।

আরও খবর