চট্টগ্রামে জুলাই আহত যোদ্ধাদের উদ্যোগে গণ-ইফতার
চট্টগ্রামে এক ভিন্নধর্মী ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে যেখানে প্রাধান্য পেয়েছে পথশিশু ও সাধারণ মানুষ। সোমবার (৯ মার্চ) চট্টগ্রাম নগরীর ষোলশহর রেল স্টেশন এ ইফতার অনুষ্ঠিত হয়।
মেজর আহমেদ ফেরদৌসের তত্ত্বাবধানে ও জুলাই আহত যোদ্ধাদের উদ্যোগে আব্দুল হান্নানের সঞ্চালনায় এই প্রোগ্রামের উদ্বোধন ঘোষণা করেন জুলাই আহত যোদ্ধাদের আহবায়ক আব্দুল্লাহ সাহেদ।
ইফতার মাহফিল এ উপস্থিত ছিলেন জুলাই যোদ্ধা ও জুলাইয়ের শক্তি বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ। নোমান, আবরার হাসান রিয়াদ, জোবাইর মানিক, রবিউল ইসলামসহ আরো অনেকে।
প্রোগ্রামে বক্তব্য রাখেন জুলাই আহত যোদ্ধাদের পক্ষ থেকে জাবেদ,সাইফুল,তৌহিদ । পথশিশুদের এক অভিভাবক (মা) বক্তব্য রাখেন। এছাড়া পথশিশুরা হামদ, নাত, কবিতা পরিবেশন করে প্রোগ্রামকে মাতিয়ে রেখেছেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মেজর (অব.) আহমেদ ফেরদৌস। তিনি বলেন, “৭১ ও ২৪” ছাড়া বাংলাদেশের অস্তিত্ব নেই। বাংলাদেশের জন্য ৭১ এর পাশাপাশি ২৪ ভুলবার নয়। ৭১ এনে দিয়েছে স্বাধীনতা, ২৪ দিয়েছে ফ্যাসিজমের যবানিকা। ৭১ ও ২৪ একে অপরের পরিপূরক।
তিনি আরো বলেন- এই ২৪ এর গণ অভ্যুত্থানে চট্টগ্রামের ৫১২ জন আহত ও নিহত জুলাই যোদ্ধা গেজেটভুক্ত হয়েছেন। সরকারের উচিত তাদের পুনর্বাসন করা। চট্টগ্রামের ধনী ও বিত্তবানদের উচিত এদের পুনর্বাসনে নেতৃত্ব দেয়া। দুঃখজনক হলেও সত্য চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ৯ জুলাই যোদ্ধাদের চাকুরী দিয়ে পূনর্বাসন করা ছাড়া অন্য কোন বড় বড় ব্যাবসায়িক গ্রুপ তাদের নৈতিক দায়িত্ব পালন করেনি।
যার কারণে ব্যাক্তিগত ও কিছু সশস্ত্রবাহিনীর প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় (কোষ্টগার্ড, বিজিবি, সেনাকল্যান, আরইবি, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন, সিলেট ক্যাডেট কলেজ ওল্ড বয়েজ এসোসিয়েশন, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু দেশপ্রেমিক বাংলাদেশী জনগন) স্বেচ্ছায় এই জুলাই বীর যোদ্ধাদের দায়িত্ব নিতে কার্পণ্য করিনি।
সর্বশেষ তাদের ইফতার পরিবেশন করা হয় ও জুলাই যোদ্ধাহত হাফেজ তৌহিদ এর মোনাজাতের মাধ্যমে প্রোগ্রাম শেষ হয়। মোনাজাতে দেশ ও জাতির জন্য দোয়া করা হয়। জুলাই ও একাত্তরের শহিদদের জন্য দোয়া করা হয়।
এই ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেন- Warriors Of Ctg July Movement
