সমুদ্রে ডাকাত ও জলদস্যু নির্মূলে কোস্ট গার্ডের অভিযান
কক্সবাজার, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া সমুদ্র এলাকায় ডাকাত ও জলদস্যু নির্মূলে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে কোস্ট গার্ড।
আজ কোস্ট গার্ড বেইস চট্টগ্রাম, কোস্ট গার্ড জাহাজ কুতুবদিয়া, বিসিজি স্টেশন কক্সবাজার, মহেশখালী, মাতারবাড়ী, কুতুবদিয়া ও শাহপরীর সমন্বয়ে কক্সবাজার, কুতুবদিয়া, মহেশখালী ও তৎসংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় ডাকাত ও জলদস্যু নির্মূলে এবং সমুদ্রে মৎস্য আহরণে নিয়োজিত জেলেদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত কল্পে সাঁড়াশি অভিযান চালায়।
আজ শুক্রবার দুপুরে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান। গত দুই মাসে কোস্ট গার্ডের একাধিক বিশেষ অভিযানে চারটি আগ্নেয়াস্ত্র, ১৭টি দেশীয় অস্ত্র, ছয় রাউন্ড তাঁজা কার্তুজসহ ৩০ জন ডাকাত ও জলদস্যুকে আটক করা হয়।
এছাড়াও, ডাকাতের কবলে জিম্মি থাকা ৩২ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তিনি বলেন, বেশ কিছুদিন যাবৎ কক্সবাজার, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া সমুদ্র এলাকায় ডাকাত ও জলদস্যুদের উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ডাকাত ও জলদস্যুদের আটকের নিমিত্তে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দায়িত্ব প্রাপ্ত এলাকায় ২৪ ঘণ্টা টহলের পাশাপাশি গোয়েন্দা তৎপরতা ও প্রযুক্তিগত নজরদারি জোরদার করেছে।
আধুনিক সক্ষমতা ও প্রযুক্তি নির্ভর জাহাজ ও উচ্চগতি সম্পন্ন স্পিড বোটের মাধ্যমে কোস্ট গার্ডের আওতাধীন নাফ নদী ও সমুদ্র সীমান্ত এলাকায় সব ধরনের জলযান ও সন্দেহজনক গতিবিধি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের সাগর, নদী পথ ও উপকূলের নিরাপত্তায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।
