৪২ জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক, কক্সবাজারে নুরুল বশর
দেশের ৪২ জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। কক্সবাজার: এ টি এম নুরুল বশর চৌধুরী, নোয়াখালী: মো. হারুনুর রশিদ আজাদ, লক্ষ্মীপুর: সাহাব উদ্দিন, কুমিল্লা: মো. মোশতাক মিয়া,ব্রাহ্মণবাড়িয়া: সিরাজুল ইসলাম। কক্সবাজারের নতুন প্রশাসক নুরুল বশর চৌধুরী জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক। তিনি কুতুবদিয়া উপজেলা পরিষদের পর পর দুইবার চেয়ারম্যান ও পরপর ৫ মেয়াদে আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন। ১৯৯৬ সালে তিনি জাতীয় সংসদ সদস্য ছিলেন।
রবিবার (১৫ মার্চ) তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সরকারের এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে জেলা পরিষদগুলোর প্রশাসনিক কার্যক্রম আরো গতিশীল ও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্তরা অন্যরা হলেন—পঞ্চগড়: মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, দিনাজপুর: মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, রংপুর: মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম: মো. সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, গাইবান্ধা: অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক, জয়পুরহাট: মো. মাসুদ রানা প্রধান, বগুড়া: এ কে এম আহাসানুল তৈয়ব জাকির, চাঁপাইনবাবগঞ্জ: মো. হারুনুর রশিদ, নওগাঁ: মো. আবু বক্কর সিদ্দিক, রাজশাহী: মো. এরশাদ আলী, নাটোর: মো. রহিম নেওয়াজ, মেহেরপুর: মো. জাভেদ মাসুদ।
কুষ্টিয়া: সোহরাব উদ্দিন, ঝিনাইদহ: মো. আবুল মজিদ, যশোর: দেলোয়ার হোসেন খান খোকন, মাগুরা: আলী আহমেদ, বাগেরহাট: শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, খুলনা: এস এম মনিরুল হাসান (বাপ্পী), পটুয়াখালী: স্নেহাংশু সরকার, ভোলা: গোলাম নবী আলমগীর, বরিশাল: আকন কুদ্দুসর রহমান, ঝালকাঠি: মো. শাহাদাৎ হোসেন, পিরোজপুর: আলমগীর হোসেন।
টাঙ্গাইল: এস এম ওবায়দুল হক, শেরপুর: এ বি এম মামুনুর রশিদ, ময়মনসিংহ: সৈয়দ এমরান সালেহ, নেত্রকোনা: মো. নূরুজ্জামান, কিশোরগঞ্জ: খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান, মুন্সীগঞ্জ: এ কে এম ইরাদত, নারায়ণগঞ্জ: মো. মামুন মাহমুদ, রাজবাড়ী: আব্দুস সালাম মিয়া, গোপালগঞ্জ: শরিফ রফিক উজ্জামান, মাদারীপুর: খোন্দকার মাশুকুর রহমান, শরীয়তপুর: সরদার এ কে এম নাসির উদ্দিন।
সিলেট: আবুল কাহের চৌধুরী, মৌলভীবাজার: মিজানুর রহমান এবং সুনামগঞ্জ: মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী।
