মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধাবস্থা তীব্রতর হওয়ায় আকাশপথে তৈরি হয়েছে চরম অনিশ্চয়তা। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত মাত্র ৩৪ দিনে এই বিমানবন্দর থেকে বাতিল করতে হয়েছে ২৩৯টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই উদ্বেগজনক তথ্য জানানো হয়েছে।

সর্বশেষ দুই দিনের চিত্র (১ ও ২ এপ্রিল)
মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় গত বুধ ও বৃহস্পতিবার নতুন করে বেশ কিছু ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। বাতিলের তালিকায় রয়েছে:
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস: মধ্যপ্রাচ্য রুটের ৩টি এরাইভাল ও ৪টি ডিপার্চারসহ মোট ৭টি ফ্লাইট। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস: মধ্যপ্রাচ্যগামী ও আগত মোট ৪টি ফ্লাইট। এয়ার আরাবিয়া: শারজাহ রুটের ৪টি (২টি এরাইভাল ও ২টি ডিপার্চার) ফ্লাইট। সালাম এয়ার: মধ্যপ্রাচ্যের ২টি ফ্লাইট।

বর্তমান পরিস্থিতি
ফ্লাইট বাতিলের হিড়িকের মধ্যেও গত দুই দিনে মধ্যপ্রাচ্য রুটে বিভিন্ন এয়ারলাইনসের ১৪টি এরাইভাল ও ১৩টি ডিপার্চার ফ্লাইট কোনোমতে সচল ছিল। তবে বিমানবন্দরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সালাম এয়ার, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ, দুবাই এবং আবুধাবি রুটের ফ্লাইটের অচলাবস্থা এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে।

যুদ্ধাবস্থার কারণে নিয়মিত ফ্লাইট শিডিউল ভেঙে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন মধ্যপ্রাচ্যগামী প্রবাসী কর্মী ও সাধারণ যাত্রীরা। অনেক যাত্রী বিমানবন্দরে এসে ফিরে যাচ্ছেন, আবার কেউ কেউ অনিশ্চিত সময়ের জন্য অপেক্ষা করছেন।

সংশ্লিষ্টদের ধারণা, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আকাশপথের এই অনিশ্চয়তা কাটছে না।

আরও খবর