মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা/শাহ আমানতে আরও ৮ ফ্লাইট বাতিল, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধাবস্থা ও অস্থিরতার প্রভাবে স্থবির হয়ে পড়েছে আকাশপথের যোগাযোগ। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই সংকটের ধারাবাহিকতায় বুধবার (১৮ মার্চ) এক দিনেই বাতিল হয়েছে ৮টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট। এ নিয়ে গত ১৯ দিনে এই বিমানবন্দর থেকে মোট ১৪৫টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হলো।
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সূত্র জানায়, বুধবার দিনভর মধ্যপ্রাচ্যগামী ও সেখান থেকে আসা বিভিন্ন এয়ারলাইনসের ফ্লাইটে শিডিউল বিপর্যয় দেখা দেয়। বাতিল হওয়া ফ্লাইটের মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্যগামী দুটি ডিপার্চার ফ্লাইট। বেসরকারি এয়ারলাইনস ইউএস-বাংলার মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি অ্যারাইভাল ও একটি ডিপার্চার ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া এয়ার অ্যারাবিয়ার শারজাহ থেকে আসা দুটি অ্যারাইভাল ও শারজাহগামী দুটি ডিপার্চার ফ্লাইট স্থগিত করা হয়।
বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় অস্থিরতার কারণে ফ্লাইট চলাচলে এই স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শারজাহ, দুবাই ও আবুধাবি রুটে বিমান বাংলাদেশ, সালাম এয়ার, এয়ার অ্যারাবিয়া ও ইউএস-বাংলার ফ্লাইট চলাচল এখনো অনিশ্চিত।
তবে প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও বুধবার বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা ৯টি অ্যারাইভাল ও ৫টি ডিপার্চার ফ্লাইট সচল ছিল। দফায় দফায় ফ্লাইট বাতিল ও সময় পরিবর্তনের কারণে শত শত যাত্রী বিমানবন্দরে এসে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। অনেকেই দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে শেষ পর্যন্ত গন্তব্যে যেতে না পেরে ফিরে যাচ্ছেন।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, আন্তর্জাতিক এই সংকটের কারণে ফ্লাইট শিডিউল স্বাভাবিক হতে আরও সময় লাগতে পারে। যাত্রীদের বিমানবন্দরে আসার আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
