কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিং এলাকায় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী একটি মেইল ট্রেনের সঙ্গে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে নোয়াখালীগামী মামুন পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই নারী ও শিশুসহ অন্তত ১২ জন নিহত হন। এ ঘটনায় অন্তত আরো ১৫ থেকে ১৮ জন আহত যাত্রীকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ নগরীর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা হচ্ছে ।

শনিবার (২১ মার্চ) দিবাগত রাত প্রায় ৩টার দিকে দুর্ঘটনা ঘটে। প্রায় তিন ঘণ্টা পরে রেলযোগাযোগ স্বাভাবিক হয়। নিহতের লাশ শনাক্তের পর কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে ১১টি অ্যাম্বুল্যান্সে করে তাদের নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ভয়াবহ ঘটনায় পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে গঠিত এসব কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (২২ মার্চ) সকালে রেলওয়ের চট্টগ্রাম বিভাগীয় ব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেজানান, একটি বিভাগীয় এবং অপরটি জোনাল পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বিভাগীয় পর্যায়ের ৬ সদস্যের তদন্ত কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন চট্টগ্রাম বিভাগের পরিবহন কর্মকর্তা আনিসুর রহমান। অপরদিকে, জোনাল পর্যায়ের ৬ সদস্যের কমিটির প্রধান করা হয়েছে চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট (পূর্ব) মোহাম্মদ সফিকুর রহমানকে।

বিভাগীয় ব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া বলেন, দুটি তদন্ত কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও খবর