দেশের নাম করা সাংবাদিক শাহনাজ মুন্নি ইসলামী ব্যাংকের সেবায় মুগ্ধ হয়ে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশ করেছেন। সোমবার তিনি রেমিটেন্স সংগ্রহ করতে একাধিক ব্যাংকে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়েন। শেষ ইসলামী ব্যাংকে গিয়ে সেটি উত্তোলন করেন।

তিনি লিখেছেন–আমেরিকা থেকে আমার ননদ কিছু রেমিটেন্স পাঠিয়েছিল ঈদের উপহার হিসেবে। ria রিয়া মানি এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে। সেটা ক্যাশ করতে প্রথমে গেলাম ইস্টার্ন ব্যাংকে, ওরা বললো, আমাদের সার্ভারে দেখাচ্ছে না। উপর তলায় এক্সিম ব্যাংকে যান। সেখানে বলা হলো, এখন আমরা এই সার্ভিসটা দিচ্ছি না, আপনি রাস্তার ওই পারের কোন একটা ব্যাংকে যান। গেলাম প্রিমিয়ার ব্যাংকে, বলা হলো, সার্ভিস যিনি দেন তিনি অফিসে নাই।

এরপর তিনি গেলেন ইসলামী ব্যাংকে। ইসলামী ব্যাংকের সেবা নিয়ে তিনি লিখেন–শেষ পর্যন্ত গেলাম ইসলামি ব্যাংকে। একটু সময় লাগলো কিন্তু অফিসাররা খুব ভাল ব্যবহার করলো আর কাজটা সুন্দর ভাবে হয়ে গেল। আমার বাবা ব্যাংকার ছিলেন। খালা ব্যাংকে কাজ করেছেন, কাজিন ব্যাংকে কাজ করে। ফলে ব্যাংক বিষয়ে আমার পক্ষপাত আছে।

ব্যাংকে কবে গতি আসবে প্রশ্ন তুলে তিনি লিখেন–কিন্তু সোশাল ইসলামি ব্যাংক যা কিনা এখন সম্মিলিত ইসলামি ব্যাংক, গত দুই বছর ধরে সেখানে আমার আমানত আটকে আছে। কয়েকদিন পর পর মানুষজন নিজেদের টাকা তোলার জন্য আন্দোলন করছে। কাজ হচ্ছে না। বাংলাদেশের ব্যাংক ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ও গতিশীলতা কবে আসবে? কবে গ্রাহকরা ব্যাংকগুলিকে ভরসা করতে পারবে?

শাহনাজ মুন্নির স্ট্যাটাসে অনেকেই ইসলামী ব্যাংকের প্রশংসা করে লিখেছেন।

আরও খবর