সিএমপি বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে ১০টি টিম গঠন করে ‘সিমুলটানিয়াসলি ড্রাইভ’ বা যুগপৎ অভিযানে নামে ১ মার্চ রাতে। কিন্তু অভিযান শেষে একটি দেশী তৈরি এলজি এবং কয়েক রাউন্ড কার্তুজ ছাড়া কোনো অস্ত্র কিংবা দাগী কোনো সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ওয়াহিদুল হক চৌধুরী জানান, এস ড্রাইভে সিএমপি একটি দেশীয় এলজি, ৫টি ছোরা, ১২টি শর্টগানের কার্তুজ, ১০ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, ৩টি ধামা, ১টি ছাপাতি এবং ৪৬৯পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে। এসব ঘটনায় ৬৫ জনকে আটক করেছে।

এস ড্রাইভের বিধান প্রসঙ্গে পুলিশ জানায়, প্রবিধানের ৩৭৮(ঘ) ধারায় ‘সিমুলটানিয়াসলি ড্রাইভ’ অর্থ যুগপৎ অভিযান। রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ পলাতকদের বিষয়ে পর্যায়ভিত্তিক অনুসন্ধান, অনুসন্ধানের তারিখ ও উপস্থিত দুইজন সাক্ষীর নাম নথিভুক্ত করার বিধান রয়েছে। যেসব স্থানে অপরাধীরা অবস্থান করছে বলে ধারণা করা হয়, সেখানে অনিয়মিত বিরতিতে অভিযান পরিচালনাই এস ড্রাইভ।

২৮ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টার দিকে চট্টগ্রামের অন্যতম শীর্ষ ব্যবসায়ী ও সাবেক সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান সিআইপির চট্টগ্রাম নগরের চন্দনপুরাস্থ বাসা লক্ষ্য করে ব্রাশফায়ার করে কয়েকজন সন্ত্রাসী। একই গ্রুপ ২ জানুয়ারি ওই বাসা লক্ষ্য করে গুলি করলে সিএমপির পক্ষ থেকে পুলিশ ফোর্স পাহারা দেয়া শুরু করে ওই বাড়িটি। পুলিশ উপস্থিত থাকার পরও সন্ত্রাসীরা এবার ভারী অস্ত্র নিয়ে এসে গুলি করলে আতঙ্ক বাড়ে।

 

আরও খবর