চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীতে একটি বাল্কহেডের ইঞ্জিন রুমে অভিযান চালিয়ে দুটি প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে এক লাখ ৮২ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-০৭। এসময় ইয়াবা পরিবহনের সম্পৃক্ত ৫ নৌযান শ্রমিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যে বাল্কহেড’এ ইয়াবা আনা হয়েছে সেটির মালিক পলাতক বলে জানায় র‌্যাব।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে ইয়াবা উদ্ধারের পর দুপুরে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি তুলে ধরেন র‌্যাব-০৭এর অধিনায়ক লে. কর্নেল হাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, বাঁশখালীর গণ্ডামারায় এস আলমে পাওয়ার প্ল্যান্ট এলাকা থেকে নৌযানটিতে ইয়াবা লোড করা হয়। ইয়াবাগুলো নৌযানে তুলে পতেঙ্গা ১৫ নম্বর ঘাটে নামানোর জন্য শ্রমিকদের পাঠানো হয়।

তিনি আরও বলেন, পতেঙ্গায় খালাস করার আগেই আমরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইয়াবাগুলো জব্দ করি এবং ইয়াবা পরিবহণে জড়িত ৫ জনকে গ্রেপ্তার করি।

এ প্রশ্নের জবাবে র‌্যাব অধিনায়ক বলেন, যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তারা জেনেশুনেই ইয়াবা পরিবহন করেছেন। তাদের প্রত্যেককে ১৫ হাজার করে টাকা দেয়ার কথা ছিল। তবে প্রাথমিক তদন্তে তাদের বিরুদ্ধে পূর্বের কোনো অপরাধে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তদন্ত শেষে বলা যাবে তারা কখন থেকে ইয়াবা পরিবহনে সম্পৃক্ত হয়েছে বা এ যাবৎ কী পরিমাণ ইয়াবা পরিবহন করেছে।

এ ঘটনায়া গ্রেপ্তার করা হয়েছে নগরের পূর্ব বাকলিয়ার আলী জোহারের ছেলে ইমরান (২১), আনোয়ারা পূর্ব গহিরার আব্দুল মান্নানের ছেলে আনিস (২৯) ও করুশকুলের আব্দুর রহমানের ছেলে মো. আলী (৪৭), ব্রাহ্মনবাড়ীয়া নবীনগরের ভাঙ্গারার কানু মিয়ার ছেলে মনির হোসেন (৪৫) এবং লক্ষীপুরের রামগতির বর কলাকুপার শাহ আলমের ছেলে রুবেলকে (২৭)।

তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে এবং বাল্কহেডের মালিককে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান র‌্যাব অধিনায়ক লে. কর্নেল হাফিজুর রহমান।

আরও খবর