এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, চট্টগ্রামে পাসের হার ৫২.৭ শতাংশ
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ৭ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় পাসের হার কমেছে শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ পয়েন্ট। একই সঙ্গে কমেছে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৯২৯ জন, যা গত বছরের তুলনায় ৩ হাজার ১৬৮ জন কম। এটি গত ১৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার রেকর্ড হয়েছে। এবার তিনটি কলেজের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। বিপরীতে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে ছয়টি কলেজে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) শিক্ষা বোর্ড থেকে দেওয়া তথ্য এসব জানা গেছে। এবার চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১১৪টি কেন্দ্রে ২৮০টি কলেজের ৯৬ হাজার ৩৩৫ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ছেলেদের পাসের হার ৪৭ দশমিক ৬২ শতাংশ এবং মেয়েদের ৫৩ দশমিক ৮৯ শতাংশ।
জেলাভিত্তিক ফলাফলে সবচেয়ে কম পাসের হার খাগড়াছড়িতে। এ জেলায় পাসের হার ২৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ। এ ছাড়া রাঙামাটিতে ৩৩ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং বান্দরবানে ৪১ দশমিক ৪২ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম মহানগরীতে পাসের হার ৬৬ দশমিক ২০ শতাংশ।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় শতভাগ পাস করেছে ছয়টি কলেজ। এসব কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ২৬৭ শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হয়েছেন। শতভাগ পাস করা ছয় কলেজের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী ছিলেন সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ড হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ১৩৪ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই পাস করেছেন। ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের ৪৪ জন, কোয়ামটাম কসমো কলেজের ৬০ জন এবং কাফকো স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১৭ জন পরীক্ষার্থীও শতভাগ পাস করেছেন।
এ ছাড়া কক্সবাজারের রামু ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছয়জন এবং লিডার্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছয়জন পরীক্ষার্থী সবাই উত্তীর্ণ হয়েছেন।
অন্যদিকে তিনটি কলেজের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। এসব কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৯ শিক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন। এর মধ্যে- মেরন সান কলেজ থেকে দুজন, সৃজনী ট্রাস্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে পাঁচজন এবং বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে দুজন পরীক্ষায় অংশ নেন। তাদের কেউই পাস করতে পারেননি।
