অবশেষে ইসমাঈলকে বহিষ্কার করলো জামায়াত
পরকিয়ার জেরে চান্দগাঁও থানা আমিরের পদ হারানো ইসমাঈল এবার হারালো জামায়াতের রুকন পদও। তার বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ ওঠার পর তাকে জামায়াতের চান্দগাঁও থানা আমিরের পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছিল গত ৭ অক্টোবর। ৮ অক্টোবর তাকে কর্মপরিষদের বৈঠকে জোরপূর্বক রাখে ‘অভ্যন্তরীণ লুটেরা সিন্ডিকেট’। অবশেষে একে একে জামায়াতের সব পদ থেকে ইসমাঈলকে সরিয়ে দেয়া হলো।
সর্বশেষ শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত বিশেষ কর্মপরিষদ বৈঠকের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হলো।
জানা গেছে, জামায়াতের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে অনৈতিক সুবিধা নেয়ার অভিযোগ যাদের বিরুদ্ধে রয়েছে তারা ইসমাঈলকে রক্ষার চেষ্টা করেও সফল না হওয়ায় তাদের মধ্যে হতাশা কাজ করছে। ওই সিন্ডিকেট ইসমাঈলের অনৈতিক কাজ যারা সামনে এনেছেন তাদের বিরুদ্ধে ফুঁসছে বলেও জানা গেছে।
বৈঠকে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর সেক্রেটারি মুহাম্মদ নুরুল আমিন, নগরীর এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা খাইরুল বাশার, মোহাম্মদ উল্লাহ, ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুস, মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চসিক মেয়র পদপ্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালী, ডা. এ কে এম ফজলুল হক, ডা. সিদ্দিকুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি এম এম লুৎফর রহমান, নগর অফিস সম্পাদক হামেদ হাসান ইলাহী উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও কর্মপরিষদ সদস্য আবু হেনা মোস্তফা কামাল, অধ্যাপক মুহাম্মদ নুর, আমির হোছাইন, অধ্যক্ষ মাওলানা জাকের হোসাইন, মাহমুদুল আলম, মাওলানা মমতাজুর রহমান, ফখরে জাহান সিরাজী, প্রফেসর ড. মাহবুবুর রহমান, প্রফেসর মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ, প্রফেসর মুহাম্মদ নুরুন্নবী, ফারুকে আজম, ড. আ ম ম মাসরুর হোসাইন উপস্থিত ছিলেন।
